ঢাকার আশুলিয়ায় যুবলীগ নেতাকে হত্যা পরিকল্পনার অভিযোগ সন্ত্রাসী আমজাদ হোসেনের বিরুদ্ধে

অপরাধ

সুচিত্রা রায় :
সাভারের আশুলিয়া ব্যবসায়িক দ্বন্দ্বের জেরে যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ বাদল শেখ কে নারী কেলেঙ্কারিতে ফাঁসানো সহ হত্যার পরিকল্পনা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকায় অভিযোগ উঠেছে সন্ত্রাসী আমজাদ হোসেন ও তার বাহিনী বিরুদ্ধে এ ঘটনায় ভোক্তভোগী যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ বাদল শেখ জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আশুলিয়া থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেছেন শুক্রবার ১৯ জুন ২০২০ রাতে আশুলিয়া থানা ধামসোনা ইউনিয়নের (৭নং) ওয়ার্ডের অস্থায়ী ভোটার হিসাবে একজন যুবলীগ নেতা হিসেবে সক্রিয়ভাবে এই মহামারী করোনা ভাইরাস প্রাদুর্ভাব সময়ে এক নিষ্ঠুর ভাবে দিনরাত ব্যক্তিগত অর্থায়নে ত্রাণ বিতরণ করে হতদরিদ্র নিম্নআয়ের দিনমজুর দুস্থ অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন বলে জানা গেছে এবং সাধারণ ডায়েরি সূত্রে জানা যায় যৌথভাবে ঠিকাদারি ব্যবসা পরিচালনার খাতিরে আমজাদ হোসেন তার সাথে সর্বপ্রথম ফেসবুকের মাধ্যমে পরিচয় হয় কিন্তু কিছুদিন পর আমজাদ হোসেন তাকে বাদ দিয়ে একাই ব্যবসা পরিচালনার জন্য ফন্দি আটে এ সময় আমজাদ হোসেন তাকে নানাভাবে হয়রানি করার চেষ্টা করে এবং তাকে বিভিন্নভাবে তার বাহিনী ও দলবল নিয়ে পায়তারা করে আসলে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে আশুলিয়া থানায় সাধারণ ডায়েরি করে এছাড়া ও আমজাদ হোসেন নামে এই ব্যক্তি কেন্দ্রীয় যুবলীগের চেয়ারমান প্রফেসর শেখ ফজলে শামস পরশ ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশন মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সাথে সখ্যতার পরিচয় দিয়ে আশুলিয়া থানা শ্রমিক থেকে কোটিপতি হয়েছেন এক বছরে মধ্যে। তাহার বিরুদ্ধে ইভটিজিংসহ এলাকায় নানা অপকর্মের একাধিক অভিযোগ রয়েছে।অভিযুক্ত আমজাদ হোসেন একজন সাবেক বিএনপি নেতা।সূত্রে জানা গেছে প্রভাব দেখিয়ে তাহার বিরুদ্ধে নানা অপকর্ম গুটিয়ে থাকে এবং বলে থাকে আমি এলাকার সন্তান প্রভাব খাটিয়ে যুবলীগ নেতা মোঃ বাদল শেখ এর সমস্ত ব্যবসা-বাণিজ্য দখলবাজী করে গুটিয়ে নেয়ার চেষ্টা চালায়। মোঃ বাদল শেখ একজন ব্যবসায়ী বটে, কিছুদিন আগে এই যুবলীগ নেতার ম্যানেজার সোহেলকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে,আল্টিমেটাম দিয়ে যায়,এ মহল্ললায় ব্যবসা করলে এক লক্ষ নগদ টাকা দিবি তা না হলে ব্যবসা করতে পারবিনা। এ বিষয় ম্যানেজার সোহেল বাদী হয়ে১৮জুন২০২০ সন্ত্রাসী আমজাদ হোসেন বাহিনীর নামে থানায় একটি অভিযোগ করেন।জানা গেছে যুবলীগ নেতার কাছ থেকে,সন্ত্রাসী আমজাদ হোসেন ব্যবসা চলাকালীন অবস্থায় বিভিন্ন খাদে নগদ ১৯ লক্ষ ৫৯ হাজার ৫০৮ টাকা আত্মসাৎ করে।সর্বশেষে মোঃ বাদল শেখ এর ব্যক্তিগত অফিসে এসে আমজাদ বাহিনীর লোক পরিচয় দিয়ে হুমকি দিয়ে যায়, তোকে জানো এলাকায় না দেখি এবং প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে যায়।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।